।।দেখা হ’ল।। যে চোখ দিয়ে তোমাকে দেখতাম শৈশবে সে চোখ আর পাই কোথা! জানি, সময় বলে কে কী জানি, সময় বলে কে কার। এতোটাই ভালো লাগতো বলে তোমাদের বাড়িতে একা যেতাম কুল কুড়োতে পড়ন্ত সূর্যের আলোয় মাঝে মধ্যে পেছন থেকে দুহাত দিয়ে চেপে ধরতে চোখ আমার। পাঠশালাতে বসতে আমার পাশে মাঝে মাঝে আমার আতংক হতো যদি চিমটি কাটো,আর শুধু তা নয় আমাকে চিমটি কেটেই প্রায়ই চেঁচিয়ে বলতে, আমি বুঝি তোমাকে চিমটি কেটেছি। তারপর মাস্টার মশায়ের পালা,আমার চোখে জল সে জল গড়াত তোমার গালে এতো প্রায় নিত্য দিনের খেলা। আবার প্রতি দিনই আমার পাশে তুমি যেদিন তুমি মাস্টার মশায়ের নির্দেশে অন্য জায়গায় বসতে বা তোমার সংগে গোটা দিন দেখা হোতো না সে দিন আমার ভাললাগত না। জীবনের বহুধা পথে ঐ ছোটো বেলার পর অনেক বছর কেটে গেলো। একদিন সন্ধ্যে বেলা ফ্লরিসেন্স আলোয়, শহরের ভিড় ও অনম্র আওয়াজে তোমাকে দেখি। ভেবাচেখা, পাশে পুরুষটি কে? সংসারি ছাপ চোখে মুখে তোমার যা আমার ভাবনার অতীত-- কুকুর নাগা দেখলে যেভাবে কাঁদে ভেতরে ভেতরে আমারও সেই গোঙানো। এর আগে তোমাকে কতবার খুঁজেছি কতো দিন রাতের খোপা থেকে অলৌকিক ফুল হয়ে জ্যোৎস্নার চুল বেয়ে নেমে পড়েছ । অনেক সময় তোমার শরীরে পরিবর্তন এঁকেছি আমি এবং আমার সাম্রাজ্যে আদিম ক্ষুধা জ্বালিয়েছি বহুবার। আজ আমার আনুষ্ঠানিক সঙ্গী রয়েছে কিন্তু আমরা দুজনই বোধ হয় দুজনার নিখাদ সঙ্গী হয়ে যেতে পারতাম! সুপ্তি, আজ তুমি এতো অপরিচিত কেন? ( কবিতাটি অনেক আগের লেখা।২০০৪এর এক ডাইরিতে পেলাম।খুব সম্ভব শিলচরেই লিখে ছিলাম। তারিখ দিইনি
https://www.facebook.com/1742308752/posts/10208428551148313/?sfnsn=wiwspmo
ReplyDeleteআজকাল ভাবনার জানালায় জমে ধুলো
ReplyDeleteআপাতত ঝেড়েছি যতটা পারা গেছে।
তারপর দেখি,বুকের রেলিং ধরে ২০২০
এখনো আমার দিকে তাকিয়ে।
বলি,আর কোনো কথা নয়
ধরো হাত, চলো ২১শে নামি।
এ রাত জেগে থাক কুসুমের কোমল পরশে
সূর্যের কবোষ্ণ বুকের আলোয়
আগামি ফুটুক।
--সমরবিজয়।শিলচর। ৩১/১২/২০২০
।।দেখা হ’ল।।
ReplyDeleteযে চোখ দিয়ে তোমাকে দেখতাম শৈশবে
সে চোখ আর পাই কোথা!
জানি, সময় বলে কে কী
জানি, সময় বলে কে কার।
এতোটাই ভালো লাগতো বলে
তোমাদের বাড়িতে একা যেতাম কুল কুড়োতে
পড়ন্ত সূর্যের আলোয়
মাঝে মধ্যে পেছন থেকে দুহাত দিয়ে
চেপে ধরতে চোখ আমার।
পাঠশালাতে বসতে আমার পাশে
মাঝে মাঝে আমার আতংক হতো
যদি চিমটি কাটো,আর শুধু তা নয়
আমাকে চিমটি কেটেই প্রায়ই চেঁচিয়ে বলতে,
আমি বুঝি তোমাকে চিমটি কেটেছি।
তারপর মাস্টার মশায়ের পালা,আমার চোখে জল
সে জল গড়াত তোমার গালে
এতো প্রায় নিত্য দিনের খেলা।
আবার প্রতি দিনই আমার পাশে তুমি
যেদিন তুমি মাস্টার মশায়ের নির্দেশে অন্য জায়গায় বসতে
বা তোমার সংগে গোটা দিন দেখা হোতো না
সে দিন আমার ভাললাগত না।
জীবনের বহুধা পথে
ঐ ছোটো বেলার পর অনেক বছর কেটে গেলো।
একদিন সন্ধ্যে বেলা
ফ্লরিসেন্স আলোয়, শহরের ভিড় ও অনম্র আওয়াজে
তোমাকে দেখি।
ভেবাচেখা,
পাশে পুরুষটি কে?
সংসারি ছাপ চোখে মুখে তোমার
যা আমার ভাবনার অতীত--
কুকুর নাগা দেখলে যেভাবে কাঁদে
ভেতরে ভেতরে আমারও সেই গোঙানো।
এর আগে তোমাকে কতবার খুঁজেছি
কতো দিন রাতের খোপা থেকে অলৌকিক ফুল হয়ে
জ্যোৎস্নার চুল বেয়ে নেমে পড়েছ ।
অনেক সময় তোমার শরীরে পরিবর্তন এঁকেছি আমি
এবং আমার সাম্রাজ্যে আদিম ক্ষুধা জ্বালিয়েছি বহুবার।
আজ আমার আনুষ্ঠানিক সঙ্গী রয়েছে
কিন্তু আমরা দুজনই বোধ হয়
দুজনার নিখাদ সঙ্গী হয়ে যেতে পারতাম!
সুপ্তি, আজ তুমি এতো অপরিচিত কেন?
( কবিতাটি অনেক আগের লেখা।২০০৪এর এক ডাইরিতে পেলাম।খুব সম্ভব শিলচরেই লিখে ছিলাম। তারিখ দিইনি